মহানবী বলেছেন সুস্থতা আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত

সুস্থতা হচ্চে আল্লাহর এক বিরাট নেয়ামত। ব্যক্তি ও জাতির উন্নতির জন্য, সুখী ও সক্রিয় জীবনযাপন করার জন্য সুস্থতা অপরিহার্য। অসুস্থ ব্যক্তির পৃথিবীর কোনো কিছুই ভালো লাগে না। এ জন্য বাংলা প্রবাদে বলা হয় ‘সুস্থতাই সকল সুখের মূল’। বিশ্বনবী সা: বলেছেন, তোমরা অসুস্থতার আগে সুস্থতাকে গণিমত মনে করো। হাদিসে এসেছে, মুত্তাকি ব্যক্তির জন্য সুস্থতা ধন সম্পদের চেয়েও উত্তম। আর মনের প্রফুল্লতা হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার নিয়ামতগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নিয়ামত। (আহমদ) আমাদের প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ সা:

ঢাকার প্রত্যেকটা ম’সজিদে এসি’ ফ্লোরে দা’রভেমী মাল পাথর অথচ ফুটপাতে অসংখ্য অভুক্ত বনী আদম

ঢাকার প্রায় প্রত্যেকটা ম’সজিদে এসি, ফ্লোরে দা’রভেমী মাল পাথর। অথচ ফুটপাতে অসংখ্য বনী আদম অভুক্ত, বস্ত্রহীন। এর জন্য দায়ী এই শহরের পেশাদার ই’মাম শ্রেণি। এরা বেছে বেছে ম’সজিদে দান-সদকা বিষয়ক হাদিস শুনায়, আর মু’সল্লিদের বলে ম’সজিদে দান করতে। এমনকি সরকারি ম’সজিদগু’লিতেও টাকা তোলা হয় পাবলিকের কাছ থেকে। ম’সজিদ কমিটি ই’মাম নিয়োগ দেয়ার সময় খেয়াল করে ই’মাম টাকা সংগ্রহ করতে পটু কিনা। আল্লাহ সুরা সফে বলেছেন, নিজে যে কাজ কর না, তা অন্যকে করতে বলো

জুমার দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ আমল

ইসলামের দৃষ্টিতে এই পবিত্র জুমা ও জুমাবারের রাত-দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতোই। এ দিন ইসলামী ইতিহাসে বড় বড় ও মহৎ কিছু ঘটনা ঘটেছে। জুমার গুরুত্ব আল্লাহ তায়ালার কাছে এত বেশি যে, কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করা হয়েছে। এ দি‌নে বি‌শেষ কিছু আমল র‌য়ে‌ছে; যা মে‌নে চলা উত্তম কাজ। রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, তোমরা জুমার দিনে

‘হপ-শুট’ নামের এই সবজিটির প্রতি কেজির মূল্য এক লাখ ১৫ হাজার টাকা মাএ!

সম্প্রতি বাঙালির মাছ-মাংসের পাশাপাশি শাক সবজিও অন্যতম প্রধান খাবারের মধ্যে একটি। তবে স্বাস্থ্যকর এই খাবার শখ করে অনেকেই খান না। খানিকটা বাধ্য হয়েই খান। ছোটরা তো আছেই বড়রাও অনেকেই সবজি খেতে পছন্দ করেন না। এটি বেশ সহজলভ্য খাবার। তবে হপ শুটস নামের এই সবজিটির প্রতি কেজির দাম শুনলে আপনার চক্ষু চড়কগাছ হতে বাকি থাকবে না। বর্তমানে এর বাজার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ফলস হিসেবে পরিচিত ‘হপ-শুট’। পরীক্ষিতভাবেই

বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার’ কঠোর লকডাউন ঘোষনা, জরুরি সেবা ছাড়া সব বন্ধ।

এবার করোনাভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। কিন্তু এতেও কমেনি জনগণের উদাসীনতা। এ অবস্থায় জনস্বার্থে সরকার আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক কঠোর লগডাউনের ঘোষনা করেছে সরকার। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। সিটি করপোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় দুই সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।শুক্রবার (৯ এপ্রিল) কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা সাক্ষরিত এক