পবিএ রমজান মাসে ইহকাল ও পরকাল দুটির জন্যই সওয়াব পাবেন

এই রমজান মাস হচ্ছে ইবাদতের বসন্তকাল। আল্লাহর প্রিয় বান্দারা সুবর্ণ সুযোগকে কাজে লাগাতে ইবাদতে মশগুল থাকেন। রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই সারা মাসের জন্য শয়তানকে বেড়িবদ্ধ করা হয়। সে কারণে রমজানের বরকতস্বরূপ দ্বীনি পরিবেশের সৌন্দর্য পরিলক্ষিত হয়। আর এ জন্যই রমজান মাস মানুষের মন ও আত্মাকে পরিশোধন করার শ্রেষ্ঠ সময়। মানুষ তার পেট ও লজ্জাস্থানের চাহিদা মেটানোর তাড়নায় গুনাহ করে। তাই তাকওয়া অর্জনের নিমিত্তে এই দুই ধরনের গুনাহের উৎসকে দুর্বল করতে আল্লাহতায়ালা রোজার বিধান দিয়েছেন।

এবার ক্ষ’মতা থাক’লে মামু’নুল হ’ককে গ্রে’প্তার ক’রুন!

ক্ষ’মতা থাকলে মামুনুল হক যেসব অ’ন্যা’য়ের জন্য প্রকৃত দায়ী, যার ভে’তর একটা হলো কিছুদিন আগের শা’ল্লার ঘ’টনা- সেই অন্যায়গুলো চিহ্নিত করে তাকে গ্রে’প্তা’র করুন বা গ্রে’প্তার’তারের জন্য সর’ব হোন। প্রকাশ্যে তিনি না’রী এবং অন্য ধর্মা’বলম্বী বিশেষত হি’ন্দুদের উদ্দেশ্যে যে বি’দ্বেষ ছড়ান কিংবা রাষ্ট্রের সম্পদ রেললাইন উপড়ে ফেলার যে ম’দদ দেন, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সাহেবের সংগীত একাডেমি কিংবা লাইব্রেরিতে যে আ’গু’ন লাগানোর জন্য হাজারো জনকে রাস্তায় নামান, বিশেষ করে কিশোর -তরুণদের- সেইসব অ’পরা’ধের বি’চার বি’ষয়ে

এই স্লিভলেস ব্লাউজ পরে কী অপরাধ করেছি : অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা

সম্প্রতি ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন আগেই। এরই মধ‌্যে বেশ কটি বই প্রকাশিত হয়েছে তার। এবারো দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রায়ই বইমেলায় যান তিনি। স্লিভলেস ব্লাউজ পরে বইমেলায় গিয়ে নেটিজেনদের বিতর্কের মুখে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। এ নিয়ে ভাবনা তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘আমার দোষ আমি হাতাকাটা ব্লাউজ পরে বইমেলায় গিয়েছি? সত্যি! আমাদের নানি-দাদিরা এখনো হাতাকাটা ব্লাউজ পরে থাকেন। এই ছবি সবাই পোস্ট করছে,

এবার মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত ভ্যানচালকের মেয়ে মুন্নী

এই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে ৩১১০তম হয়ে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ দিনাজপুরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন সুজানগরের হতদরিদ্র ভ্যানচালকের মেয়ে মোছা. জান্নাতুম মৌমিতা মুন্নী। তিনি পাবনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন। ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৬৯.৭৫ নম্বর। শিক্ষা জীবনজুড়েই আর্থিক দুশ্চিন্তা ছিল মুন্নীর নিত্যসঙ্গী। মেধার জোরে সব বাধা জয় করে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেলেও আবার সেই আর্থিক দুশ্চিন্তাই তাকে ঘিরে ধরেছে। ভর্তির সুযোগ পেলেও

নিজের হারানো মেয়ের সঙ্গেই তো বিয়ে হতে চলেছে তাঁর ছেলের!

ছেলের বিয়ের দিন নিজের হারানো মেয়েকে খুঁজে পেলেন মা। এমনটাও ঘটে বাস্তবে! কিন্তু কীভাবে? সেই হারানো মেয়ের সঙ্গেই তো বিয়ে হতে চলেছে তাঁর ছেলের!তবে কী গেম অফ থ্রোনসের পুনরাবৃত্তি হবে? ভাইবোনের মধ্যেই এতদিনের প্রেমের সম্পর্ক! তবু বিয়েটা হল!কিন্তু কীভাবে? চিনের জিয়াংসু প্রদেশের ঘটনা। ছেলের বিয়ের তোড়জোড় চলছিল। ইতিমধ্যে হবু বৌমাকে দেখেই ছেলের মা চমকে উঠলেন। হাতের জরুলটা চেনা চেনা ঠেকছে যে! ছোটবেলায় তাঁর হারিয়ে যাওয়া মেয়ের হাতেও যে এমনটাই ছিল। মায়ের মন একইসঙ্গে আশঙ্কা