পবিএ কুরআনে যাদেরকে আল্লাহর ওলি-য়াআওলি’ বলা হয়েছে

ইসলামের ইতিহাসে ‘ওলি-য়াআওলি’ ব্যাপক মর্যাদা ও সম্মানের স্থান দখল করে আছে। তাহলে আল্লাহর ওলি কারা? কুরআনুল কারিমে কোন কোন গুণের অধিকারীদের ওলি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে? ওলির পরিচয়ই বা কী? ওলির পরিচয় ওলি ও আওলিয়া শব্দ দুটি আরবি। ওলি একবচন। যার অর্থ বন্ধু, মুরব্বি বা অভিভাবক। আর ‘আউলিয়া’ শব্দটি বহু বচন। পবিত্র কুরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে ওলি ও আওলিয়া শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছ তাদের পরিচয়। আবার যেসব গুণের কল্যাণে একজন মানুষ

জেনে নিন- যে আমল মানুষকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে।

প্রিয় রাসুলে আরাবি ঘোষণা করেছেন, কোনো মুমিন (কারো সঙ্গে) কটুভাষী হতে পারে না; (কাউকে) লানতকারী হতে পারে না এবং অশ্লীল ও অশালীন কথাবার্তা বলতে পারে না।’ (আদাবুল মুফরাদ) কারণ এ সব কর্মগুলো ঈমান ও মুমিনের শানের পরিপন্থী। মুমিন বান্দার উচিত হলো, সব সময় যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে নিজেকে পবিত্র রাখা। এ সব গুণের কোনো একটির যথাযথ আমল করলেই জান্নাতের ছায়াতলে আশ্রয় লাভ করবে মুমিন। হাদিসে পাকে এমনই একটি ঘোষণা দিয়েছেন প্রিয়নবি- তাবেয়ি হজরত আবদুর

মুমিনের ২৪ ঘণ্টার কর্মসূচি জান্নাত প্রত্যাশী দের জন্য

এই মানুষের জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। এ ছোট্ট জীবন শেষে রয়েছে পরকালের সীমাহীন জীবন। যে জীবনের শুরু আছে শেষ নেই। দুনিয়ায় মানুষ নির্দিষ্ট কিছু অবস্থান করেই গ্রহণ করবে মৃত্যুর স্বাদ। দুনিয়াতে মানুষ এক একটি দিন অতিবাহিত করেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহ আনহু দিন চলে যাওয়া নিয়ে আফসোস করে বলেছেন- আমি এমন দিনের উপর অনুশোচনা করি যেই দিনের সূর্য ডুবে গেছে, আমার জীবন থেকে একটি দিন কমে

নারীদেরকে সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা দেয় তাদের স্বামীরাঃবাচ্চাদের চেয়ে বেশী

এই আমাদের সমাজে নারী মানে পদে পদে যন্ত্রণা। সেই ছোট বেলা থেকে নানা বাধা নিষেধ আরোপিত হয় মেয়েদের উপর। সবসময় একটা আতঙ্কে থাকতে হয়। কারণ, আশেপাশে হায়নারা ঘাপটি মেরে থাকে নারীর উপর হামলে পড়ার জন্য। এছাড়া, নারী তার চিরচেনা বাড়ি ছেড়ে যেতে হয় নতুন বাড়িতে, খাপ খাওয়াতে হয় নতুন পরিবেশে। তার পর সন্তান জন্মদান, প্রসব বেদনা কত ভয়ঙ্কর তা নারীরা ছাড়া কেউ জানেনা। আর এই সন্তান বড় করার যন্ত্রণা তো আছেই। কত রাত না