হে মহান আল্লাহ! আপনি রহমতের বৃষ্টি দান করেন

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় অনাবৃষ্টি ও প্রচণ্ড খরা থেকে রেহাই পেতে মহান আল্লাহর কাছে রহমতের বৃষ্টির জন্য ‘ইসতিসকা’র নামাজ আদায় ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। মোনাজাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান রবের কাছে প্রার্থনা করেন, হে আল্লাহ! আপনি রহমতের বৃষ্টি দান করেন।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে বৃষ্টির জন্য উপজেলার জগন্নাথপুর ইউপির জগন্নাথপুর গ্রামের মাঠে দুই রাকাত ‘ইসতিসকা’র নামাজ হয়। বিশেষ এই নামাজে ওই গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন তারা।

গত সোমবার সকালে একই জায়গায় ‘ইসতিসকা’ নামাজ পড়া হয়। কুষ্টিয়ার মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। নদী ও খালের পানি তলানিতে ঠেকেছে বৃষ্টির অভাবে। অনেক দিন বৃষ্টি না হওয়ায় আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিশেষ নামাজ আদায় করেছেন তারা। বৃষ্টির জন্য ‘ইসতিসকা’ নামাজের পর মোনাজাতে তারা বার বার বলতে থাকেন, হে আল্লাহ! আপনি বৃষ্টি দান করেন। হে আল্লাহ! আপনি বৃষ্টি দান করেন। হে আল্লাহ! আপনি বৃষ্টি দান করেন।

নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চর জগন্নাথপুর গ্রামের জামে মসজিদের ইমাম ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন, কুষ্টিয়ায় কয়েক মাস ধরে বৃষ্টি হয় না। তাই গত সোমবার সকালে নামাজ আদায় করে দোয়া করেছিলাম। বৃষ্টি না হওয়ায় তাপদাহে দেশের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এ রকম পরিস্থিতে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে পানি প্রার্থনা করে দোয়া করা সুন্নত। তাই আবারো এই নামাজের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় তাপপ্রবাহে দেশের মানুষের বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্ট হতে থাকলে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা সুন্নত। মুসল্লিরা বলেন, আল্লাহ সৃষ্টির কল্যাণে আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন। কোরআনের অনেক জায়গায় আসমান থেকে পানি বর্ষণের কথা উল্লেখ আছে। বৃষ্টির পানি বর্ষণের মাধ্যমে আল্লাহ মানুষের জন্য রিজিকের ফয়সালা করেন। বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়াকে ‘ইসতিসকা’ নামাজ বলা হয়।

স্থানীয়রা বলেন, এবছর অনাবৃষ্টির কারণে এলাকার মানুষ নাজেহাল হয়ে পড়েন। প্রচণ্ড গরম পড়ছে, মানুষের কষ্ট হচ্ছে, ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এই অনাবৃষ্টির কারণে প্রকৃতিতে বিষন্নতা এসেছে। এজন্য সৃষ্টিকর্তার দরবারে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে আবারো দোয়া করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা দয়াময় আল্লাহ তায়ালার শরণাপন্ন হলে আল্লাহ বিপদ-আপদ, দুঃখকষ্ট, বালা-মুসিবত অবশ্যই দূর করে দেন। এর আগে গত সোমবার সকালেও একই মাঠে বৃষ্টির জন্য নামাজ আদায় করা হয়।

দুনিয়ায় আল্লাহ তায়ালার অজস্র কুদরত ও নিদর্শনের মধ্যে বৃষ্টি এক বিশেষ নিদর্শন। বৃষ্টি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আনয়ন করে, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। বৃষ্টি আল্লাহ তায়ালার খাস রহমতের নিদর্শন। বৃষ্টি প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনি (আল্লাহ) যিনি তার রহমতের (বৃষ্টির) প্রাক্কালে বাতাসকে সুসংবাদবাহকরূপে প্রেরণ করেন।

যখন তা ঘন মেঘ বহন করে তখন আমি (আল্লাহ) তা নির্জীব ভূখণ্ডের দিকে চালনা করি, পরে সেটা হতে বৃষ্টি বর্ষণ করি। তারপর তার দ্বারা সব ধরনের ফল-ফসল উৎপাদন করি।’ -সূরা আরাফ: ৫৭ আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘আর আমি আকাশ হতে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করি যা দ্বারা আমি মৃত ভূখণ্ডকে সজ্জীবিত করি এবং আমার সৃষ্টির মধ্যে বহু জীবজন্তু ও মানুষকে তা পান করাই।’

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

সূরা ফুরকান: ৪৮-৫০ হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি প্রার্থনার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান কর। আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ কর এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত কর।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *