মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালে মিলছে ২৫ টাকায় আইসিইউ, ১০ টাকায় পাবে চিকিৎসাসেবা!

এবার রাজধানীর মহাখালীতে গত ১৮ এপ্রিল দুপুরে এক হাজার শয্যার ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল’ এর সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এখন থেকে দেশের যেকোনো অঞ্চলের করোনা আক্রান্ত বা করোনা উপসর্গ রয়েছে এমন রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন। মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন (উত্তর পাশে) হাসপাতালটির অবস্থান।

জানা গেছে, এ হাসপাতালে মাত্র ২৫ টাকায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রসহ (আইসিইউ) জেনারেল বেডে চিকিৎসা নিতে পারবেন করোনা সংক্রমিত ব্যক্তিরা। এছাড়া ১০ টাকা খরচ করে হাসপাতালটির বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন অপেক্ষাকৃত কম সংক্রমিত ব্যক্তিরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, করোনা আক্রান্ত রোগীরা প্রথমে হাসপাতালের ট্রায়াজে প্রবেশ করবেন। এই ট্রায়াজে দু’টি জোন রয়েছে। এর মধ্যে ট্রায়াজ-১ এ যাদের মৃদু উপসর্গ আছে, ভর্তি হওয়া প্রয়োজন হবে না; তাদেরকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেয়া হবে। পরে এসে তিনি এই জোনে রিপোর্ট করতে পারবেন।

ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে –
ট্রায়াজ-২ এ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। যারা করোনা আক্রান্ত হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আসবেন, তারা সরাসরি ট্রায়াজ-২ এ চলে যাবেন। এখানে ৬ শয্যার আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের দ্বিতীয় তলায় জরুরি বিভাগে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন জানান, এখানে যারা চিকিৎসা নিতে আসছেন তাদের সবার কিন্তু ভর্তি নাও লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে যারা বহির্বিভাগে আসবেন তারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে অর্থাৎ ১০ টাকায় টিকিট কেটে চিকিৎসা নিতে পারবেন। আর যদি কাউকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তবে সেক্ষেত্রে বহির্বিভাগের পরামর্শের পরে আরো ১৫ টাকা দিয়ে টিকিট কাটতে হবে। অর্থাৎ মোট ২৫ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন রোগী।

জরুরি বিভাগে ৫০টি শয্যা স্থাপন করা হয়েছে –
তিনি বলেন, আইসিইউসহ এখানে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সব চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাবে খুবই অল্প মূল্যে। এক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে সরকার। যদি কোনো রোগীর চিকিৎসার জন্য আলাদা কোনো পরীক্ষা লাগে তবে সেগুলোর জন্য কিছু টাকা নেয়া হতে পারে। সেটাও খুব একটা বেশি হবে না।

তিনি বলেন, জরুরি বিভাগে ৫০টি শয্যা স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আসার পর যদি কারো শারীরিক অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়, তাকে পঞ্চম তলায় আইসিইউ এবং এইচডিইউতে স্থানান্তর করা হবে। এরমধ্যে ঝুঁকির মাত্রা কিছুটা কম হলে তাদেরকে কেবিনে দেয়া হবে। কেবিনগুলোতে সেন্ট্রাল অক্সিজেনসহ হাই-ফ্লো নজেল ক্যানোলা সুবিধা রয়েছে।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে- আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল #যৌন_রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের সু চিকিৎসা করা হয়।
বিঃ দ্রঃ আমাদের এখান থেকে দেশে ও বিদেশে কুরিয়ার করে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০

সেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পাঁচ শতাধিক চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফসহ প্রয়োজনীয় মেডিকেল সরঞ্জাম ব্যবস্থা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় –

তিনি আরো বলেন, এই সেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পাঁচ শতাধিক চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফসহ প্রয়োজনীয় মেডিকেল সরঞ্জাম ব্যবস্থা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এখন তারা সেবাদানের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে এ হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে। রাত ৯টা পর্যন্ত ৬৩ জন রোগীকে এখানে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ জনকে নেয়া হয়েছে হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। আর জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে ৩৯ জনকে। এছাড়া বহির্বিভাগে প্রথম দিনেই টিকেট কেটে চিকিৎসা নিয়েছেন ১১৯ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *